সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ছড়াকার

বাংলা সাহিত্য অক্টোবর - ২০২০ সংখ্যা।  যারা দুর্দান্ত কিছু ছড়ার ডালি সাজিয়েছেন

লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন

সাঈদুর রহমান লিটন - ঘুড়ি ও খোকা
মিতালি রায় - বরষা (ছড়াক্কা)
মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় দাস - খরস্রোতা (ছড়াক্কা)
সতীশ বিশ্বাস - কেন এ যুদ্ধ
বাসুদেব খাস্তগীর - আকাশের নীলে তারা
কাজী মাসুদুর রহমান - প্রজন্ম বচন
দীপঙ্কর বর্মন - ক্রান্তি
অমরেশ বিশ্বাস - বাজার 

----------------------------------------
----------------------------------------

বাংলা সাহিত্য অক্টোবর সংখ্যা - ২০১৯, যারা দুর্দান্ত কিছু ছড়ার ডালি সাজিয়েছেন ......


ফজলুল হক মিলন
অমরেশ বিশ্বাস
সৌমিত্র চক্রবর্তী
আলী হোসেন
ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য
মুন্সী সাদেক সালেহ

----------------------------------------
----------------------------------------
এই সংখ্যায় (এপ্রিল- ২০১৯) যারা লিখছেন ......... লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন
দুর্দান্ত কিছু ছড়ার ডালি সাজিয়েছেন ......
রূপক চট্টরাজ - রাজা সাজা
মালি পাখি - এই মুঠোতে
লিলুফার মতিন - ছুটির পরে
এছাড়া থাকছে একগুচ্ছ ছড়াক্কা। লিখছেন :
শংকর দেবনাথ - আলো হাসে আঁধারে
স্মৃতিমাধুরী দাস - মুকুর
কাকলি গুহ রক্ষিত - এখনও বসন্ত আসে

----------------------------------------
----------------------------------------

এই সংখ্যায় ( ডিসেম্বর - ২০১৮ ) যারা লিখছেন ......... লেখা দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পবিত্র সরকার -- অজ্ঞতার দুঃখ
রতনতনু ঘটি -- বডিবিল্ডার
সতীশ বিশ্বাস -- দুই ছড়াক্কা
শ্যামলী দাস -- ওয়ান টু টেন
অমরেশ বিশ্বাস -- মনের কথা ('বাংলা সাহিত্য' ফেসবুক গ্ৰুপ থেকে নির্বাচিত লেখা নিয়ে থাকছেন)

----------------------------------------
----------------------------------------

এই সংখ্যায় ( সেপ্টেম্বর - ২০১৮ ) যারা লিখছেন .........  লেখা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

১) আনসার উল হক। লিখছেন - ভাবিয়ে তুলছে
২) রামকিশোর ভট্টাচার্য। লেখেছেন - সেই সে কবি
৩) আলী হোসেন। বলছেন - মন কি বাত
৪) সেঁজুতি সাহা। তাঁর প্রশ্ন - স্বাধীনতা কারে বলে

লেখাগুলি পড়তে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

----------------------------------------
----------------------------------------

এই সংখ্যায় ( সেপ্টেম্বর - ২০১৪ ) যারা লিখেছেন :

 রামকিশোর ভট্টাচার্য       অদ্বৈত মারুত

ছড়ার পাতায় যেতে এখানে ক্লীক করুন।

----------------------------------------
----------------------------------------

এই সংখ্যায় ( আগষ্ট ২০১৩) লিখেছেন ঃ

 
জুলফিকার শাহাদাৎ সতীশ বিশ্বাস   রব্বানী চৌধুরী

শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

ছড়ার পাতায় যেতে এখানে ক্লীক করুন

----------------------------------------
----------------------------------------

উজ্জ্বল বিশ্বাস  বাসুদেব খাস্তগীর  কৃষ্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

  
দুলাল বন্দ্যোপাধ্যা   আলী হোসেন    সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি   

ছড়ার পাতায় যেতে এখানে ক্লীক করুন
----------------------------------------
----------------------------------------

প্রথমবর্ষ (দ্বিতীয় সংখ্যায়) যাঁরা লিখেছেন:

লেখা পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
----------------------------------------
----------------------------------------

প্রথমবর্ষ (প্রথম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১১) যারা লিখেছিলেন:

 
দীপ মুখোপাধ্যায়, রূপক চট্টরাজ,        দেবাশিস বসু           আলী হোসেন,  


ভবানীপ্রসাদ মজুমদার

লেখা পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন


লেখা পাঠাতে চান? লেখা পাঠানোর নিয়ম জানতে ক্লিক করুন নিচের 'লেখা পাঠান' ট্যাবে

==========🔰 প্রধান সম্পাদকের কথা 🔰==========


আলী হোসেন
===================
প্রধান সম্পাদক,
বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিন,
সমাজ বদলাবে - এটাই চিরন্তন। মানব সভ্যতার সূচনা থেকেই শুরু হয়েছে এই বদলে যাওয়ার যাত্রা। সেই যাত্রা মানুষ থামায় নি, থামবেও না। কিন্তু বদলে যাওয়ার গতি এতটাই বেগবান হয়েছে যে, একে আর ‘ধীর গতি’ বা বাতাসের ‘মৃদুমন্দ’ গতির সাথে তুলনা করা যাচ্ছে না। বিগত তিন দশক ধরে তথ্যপ্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে মানব সভ্যতা যে বেগে বিকশিত হচ্ছে তার তুলনা ইতিহাসে নেই। আর একারণেই এই বদলে যাওয়াকে আমরা কোন মতেই উপেক্ষা করতে পারব না।

সাহিত্য চর্চার মাধ্যম এই ‘বদল-ঝড়ের’ মুখে পড়েছে। মুদ্রণ-নির্ভর সাহিত্য চর্চার যে ধারা, তার বিকল্প মাধ্যম মুদ্রণ-সাহিত্যের ঘাড়ে বিষ-নিঃশ্বাস ফেলছে। এই বিকল্পকে (বদলকে) মেনে নেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। আর এই বদলে যাওয়া মাধ্যমটাই হল ‘অন-লাইন’ মাধ্যম। বদলাতে যখন হবেই, তখন আসুন-না, একটু আগে-ভাগেই বদলাই।
 
তাছাড়া, অন-লাইন মাধ্যমের কিছু সুবিধাও আছে। ১) প্রতেক পাঠক লেখা পড়ার পর নিজস্ব মতামত জানানোর স্বাধীনতা পায়, মুদ্রণ-সাহিত্যে যা সবসময় পাওয়া যায় না। এতে পাঠক-লেখক কাছাকাছি আসতে পারেন দ্রুত এবং সহজেই। ২) পাঠকের ভৌগোলিক সীমানা সীমাহীন হয়ে যায়। ৩) পাঠক একই খরচে অনেক ম্যাগাজিন পাঠ করার সুযোগ পান। ৪) একই খরচেই তিনি জীবনের অন্যান্য প্রয়োজনও মেটাতে পারেন।
 
‘বাংলা সাহিত্য’ এই অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর কথাটাও মাথায় রেখেছে। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি আম-বঙালির প্রয়োজনীয় সূলুক-সন্ধান দেওয়ার ব্রত নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে বাংলার সাহিত্যাকাশে। মুনাফা নয়, সাহিত্য চর্চার মুক্তাঙ্গন তৈরী করার লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করল ‘বাংলা সাহিত্য’। আপনরা সাথে থাকবেন - এই আশা নিয়েই শুরু করছি আমাদের দ্বিতীয় ভাবনা...>>>

বাংলা সাহিত্য : বহুল-পঠিত লেখাগুলো পড়ুন

পশ্চিবঙ্গে কবিতা উৎসব ২০২৩, উদ্বোধন করলেন ব্রাত্য বসু

পশ্চিবঙ্গের বৃহত্তম কবিতা উৎসব ২০২৩ উদ্বোধন করলেন ব্রাত্য বসু ফারুক আহমেদ বুধবার রবীন্দ্র সদন একতারা মঞ্চে, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের অন্তর্গত কবিতা আকাদেমির আয়োজনে ৭ম কবিতা উৎসব ২০২৩-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান দাগ কেটেছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ভারতের বৃহত্তম কবিতা উৎসবের শুভ উদ্বোধন করলেন উচ্চশিক্ষা এবং বিদ্যালয় শিক্ষা বিভাগের মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতি শ্রী ব্রাত্য বসু, উপস্থিত ছিলেন সভামুখ্য সুবোধ সরকার, মাননীয় সভাপতি, পশ্চিমবঙ্গ কবিতা আকাদেমি, মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, আলাপন বন্দ্যেপাধ্যায়, ব্রততী বন্দ্যেপাধ্যায়, প্রণতি ঠাকুর, কৌশিক বসাক প্রমুখ। রবীন্দ্রসদন, শিশির মঞ্চ, বাংলা আকাদেমি সভাগৃহ, জীবনানন্দ সভাঘর, অবনীন্দ্র সভাঘর, নন্দন-৩, চারুকলা পর্ষদ সংলগ্ন প্রাঙ্গণ ও একতারা মুক্তমঞ্চে উৎসব শুরু হয়েছে। ৩ মে থেকে চলবে ৬ মে ২০২৩ পর্যন্ত। ভারতের বৃহত্তম কবিতা উৎসবে দ্বিতীয় দিনেই শিশির মঞ্চে কবিতা পাঠ করলেন কবি ও উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট কবি। ...

প্রকাশিত হলো ব্রাত্য বসুর নতুন নাটকের বই 'এই রাত তোমার আমার'

দমদম বই মেলার উদ্বোধনে প্রকাশিত হলো ব্রাত্য বসুর নতুন নাটকের বই 'এই রাত তোমার আমার' ফারুক আহমেদ গত শুক্রবার ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ দমদম বই মেলার উদ্বোধন হল। সেই সঙ্গে প্রকাশিত হলো ব্রাত্য বসুর নতুন নাটকের বই 'এই রাত তোমার আমার'।   বই মেলার আয়োজনে দক্ষিণ দমদম পুরসভার পৌর প্রতিনিধি দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বছর (দ্বিতীয় বর্ষের) ‘ রাহুল সাংকৃত্যায়ন সাহিত্য সম্মান ২০২৪’ পুরস্কার প্রাপক কথাসাহিত্যিক জনাব আনসারউদ্দিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায়, বিশিষ্ট সাহিত্যিক এবং দমদম বইমেলার আজকের উদ্বোধক উল্লাস মল্লিক, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও প্রকাশক ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায় (সংগঠক প্রকাশক সংস্থা), বিশিষ্ট সাহিত্যিক প্রচেত গুপ্ত, প্রাক্তন পৌরপ্রধান ও লেখক ড. পাচু রায়, দমদম বিধানসভার পৌর প্রতিনিধিবৃন্দ এবং অন্যান্যরা। সাহিত্য থেকে সিনেমা, নাটক থেকে অভিনয়, ব্রাত্য বসু বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। বড্ড মনে পড়ে ব্রাত্যজনের প্রথম নাট্য প্রযোজনা ‘রুদ্ধসঙ্গীত’। ২০০৯ সাল থেকে খুব কাছ থেকে দেখছি এই বিরল প্রতিভাকে। বাম বিকল্পের সন্ধানে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় সুনিশ্চিত করতে বহু আন্...

চলে গেলেন কবিতা পাক্ষিক এর পুরোধা পুরুষ প্রভাত চৌধুরী

প্রভাত চৌধুরী। অধুনান্তিক কবিতা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধাপুরুষ এবং কবিতা পাক্ষিকের প্রাণপুরুষ। - লিখেছেন আলী হোসেন। বিশ শতকের ষাটের দশকে শুরু। শেষ করলেন একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে। কবি প্রভাত চৌধুরী লিখেছিলেন, 'আমি মূলত পক্ষাঘাতগ্রস্ত অথর্ব সভ্যতার জারজ সন্তান'। কী বোঝাতে  চেয়েছিলেন তিনি? গবেষকরা নিশ্চয়ই তা অনুসন্ধানে বসবেন। প্রভাত চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন বাঁকুড়া জেলায়। পরে কর্মসূত্রে আসেন কলকাতার ভবানীপুরে, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। তবে কবিতা নিয়ে তার আলাদা বাসরঘর গড়ে উঠেছিল পটলডাঙ্গা স্ট্রিটে। 'কৃত্তিবাস' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর কবিতা। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শুধু প্রেমিকার জন্য'। কবিতা নিয়েই ছিল তার দিনযাপন এবং নিশিযাপন। তবে শুধু কবিতার জন্যে নয়, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের জন্যেও নিবেদিত ছিল তাঁর মনপ্রাণ। আশির দশকে সাময়িকভাবে জীবন নদীর ভাটার টানে নিজেকে গুটিয়ে রাখলেও নয়ের দশকে শুরু হয় নতুন উদ্যমে পথ চলা। এই সময়ই শুরু করেন (১৯৯৩ সাল থেকে) পত্রিকা ‘কবিতা পাক্ষিক’ প্রকাশ ও প্রচার। এরপর এই পত্রিকাই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে বাংলার নতুনধারার তরুণ কবিদে...
বাংলা সাহিত্য :  অনলাইন  ম্যাগাজিন, গ্রাহক হওয়ার নিয়ম
বাংলা সাহিত্য : গ্রাহক হওয়ার নিয়ম

🙏সবিনয় আবেদন

সুধী পাঠক ও লেখকবন্ধু,

বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিন যেহেতু কোন বিজ্ঞাপন গ্রহণ করে না, সেহেতু ম্যাগাজিন পরিচালনার সমস্ত খরচ ম্যাগাজিন কতৃপক্ষকেই বহন করতে হয়। বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এই ভার বহন করা দুরহ হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের পত্রিকার গ্রহক হওয়ার অনুরোধ করছি। 

গ্রাহক মুল্য বছরে ১০০ (এক শত) টাকা মাত্র।

নিচের ব্যাংক একাউন্টে গ্রাহক চাঁদা প্রদান করে Transaction ID ইমেল করে পাঠালেই আপনি গ্রাহক হয়ে যাবেন।

আপনারা চাইলে আমাদের আর্থিকভাবে সহায়তাও করতে পারেন।

👩 গ্রাহক চাঁদা (১০০ টাকা), অথবা সহায়তা (সর্বনিম্ন 10 টাকা) পাঠাতে নিচের QR CODE SCAN করুন।

বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিনের গ্রাহক চাঁদা পাঠানোর QR CODE
গ্রাহক চাঁদা অথবা সহায়তা পাঠানোর QR CODE
এছাড়া
NET BANKING করেও গ্রাহক চাঁদা পাঠাতে পারেন।
অর্থ পাঠানোর একাউন্টসের বিবরণ :
1) Account Holder's Name : K. N. Mondal
2) Bank Name : Bank Of Baroda
3) Account No. 2759-0100-0151-24
4) IFS CODE : BARB0BRAPUR (Fifth Character is ZERO)
অর্থ পাঠালে অবশ্যই ইমেল করে ট্রাঞ্জাকশন আইডি (Transaction ID) পাঠাতে ভুলবেন না।
আপনার পাঠানো অর্থের অবশ্যই প্রাপ্তি স্বীকার করা হবে।
আমাদের EMAIL ID : editorbsali@gmail.com