মাঝে মাঝে একটা বিষয় মাথায় এসে ঘোট পাকায়; না, বলা ভালো একরাশ প্রশ্ন জড় করে দেয়। তাদেরই একটা হল – আমরা আগে বাঙালি, না হিন্দু-মুসলিম? বলা বাহুল্য, বাঙালি জাতি তার জাতিস্বত্তাকে ভুলতে বসেছে। তাই তারা হিন্দু বা মুসলিম - এই পরিচয়কে আগে আনতে চাইছে। আর ভুলতে বসেছে বলেই এই প্রশ্নটা প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। আমার মনে হয়, আমরা আগে বাঙালি তারপর হিন্দু বা মুসলিম। এই জাতিস্বত্তাকে জাগিয়ে তুলতে না পারলে বাঙালি আগে যেমন সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তে বিভক্ত হয়েছে, তেমনি আবারও সে হয় বিভক্ত হবে, না হয় তার জাতিস্বত্তা বিলুপ্ত হবে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
প্রভাত চৌধুরী। অধুনান্তিক কবিতা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধাপুরুষ এবং কবিতা পাক্ষিকের প্রাণপুরুষ। - লিখেছেন আলী হোসেন। বিশ শতকের ষাটের দশকে শুরু। শেষ করলেন একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে। কবি প্রভাত চৌধুরী লিখেছিলেন, 'আমি মূলত পক্ষাঘাতগ্রস্ত অথর্ব সভ্যতার জারজ সন্তান'। কী বোঝাতে চেয়েছিলেন তিনি? গবেষকরা নিশ্চয়ই তা অনুসন্ধানে বসবেন। প্রভাত চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন বাঁকুড়া জেলায়। পরে কর্মসূত্রে আসেন কলকাতার ভবানীপুরে, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। তবে কবিতা নিয়ে তার আলাদা বাসরঘর গড়ে উঠেছিল পটলডাঙ্গা স্ট্রিটে। 'কৃত্তিবাস' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর কবিতা। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শুধু প্রেমিকার জন্য'। কবিতা নিয়েই ছিল তার দিনযাপন এবং নিশিযাপন। তবে শুধু কবিতার জন্যে নয়, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের জন্যেও নিবেদিত ছিল তাঁর মনপ্রাণ। আশির দশকে সাময়িকভাবে জীবন নদীর ভাটার টানে নিজেকে গুটিয়ে রাখলেও নয়ের দশকে শুরু হয় নতুন উদ্যমে পথ চলা। এই সময়ই শুরু করেন (১৯৯৩ সাল থেকে) পত্রিকা ‘কবিতা পাক্ষিক’ প্রকাশ ও প্রচার। এরপর এই পত্রিকাই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে বাংলার নতুনধারার তরুণ কবিদে...


.png)

মন্তব্যসমূহ