সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ঈশ্বর বলে কিছু নেই, সবটাই মানুষের দুর্বলতা, লিখেছিলেন আইনস্টাইন

অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। - ফাইল ছবি।
ঈশ্বরে আদৌ বিশ্বাস ছিল না আইনস্টাইনের, জানাল ক্রিস্টিজের নিলাম! মৃত্যুর বছরখানেক আগে ঈশ্বরকে বুড়ো আঙ্গুল দেখানো আইনস্টাইনের সেই চিঠি প্রত্যাশার প্রায় দ্বিগুণ দর পেল, নিলামে! নিউইয়র্কে, বিকোল ২৯ লক্ষ ডলারে।


১৯৫৪ সালে লেখা আইনস্টাইনের সেই চিঠি নিলামের আলোয় এসে জানাল, জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছেও আইনস্টাইন লিখে যাননি, ‘মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান’! বরং আইনস্টাইনের ‘ঈশ্বর বিশ্বাস’ নিয়ে এত দিন যে ‘বিশ্বাসী’রা খুশিতে ডগমগ হয়ে উঠতেন, মৃত্যুর এক বছর আগে বন্ধুকে হাতে লেখা চিঠিতে তাঁদের হতাশই করেছিলেন এই ব্রহ্মাণ্ডের জমাট অন্ধকারে আলো ফেলা বহুদর্শী বিজ্ঞানী।
জার্মান ভাষায় লেখা ওই চিঠিতে আইনস্টাইন নিজের হাতেই অস্বীকার করেছিলেন ‘ঈশ্বরের হাত’! লিখেছিলেন, ‘‘ওই সব হাত-টাত বলে কিছু নেই। সবটাই মানুষের দুর্বলতা।’’
ওই সময়ের বিশিষ্ট জার্মান দার্শনিক এরিখ গুটকাইন্ডকে জার্মান ভাষায় লেখা দেড় পাতার ওই চিঠিতে আইনস্টাইনের বক্তব্য ছিল, ‘‘তা সে যে ধর্মই হোক, আদতে তা আমাদের আদিম কুসংস্কারই। আমি মনে করি, ঈশ্বর শব্দটা মানুষের দুর্বলতার প্রকাশ আর সেই দুর্বলতা থেকেই তার জন্ম। আর কিছুই নয়।’’


ঈশ্বরের দিকে ‘কামান দাগা’ সেই চিঠির দরদাম, ক্রিস্টিজ ভেবেছিল, নিলামে উঠবে বড়জোর ১৫ লক্ষ ডলার। কিন্তু নিলামের ফলাফল জানাল, ঈশ্বরের পরাজয়ের দাম তার প্রায় দ্বিগুণ! ৬৪ বছর আগে আইনস্টাইনের লেখা ওই চিঠির দাম উঠল ২৯ লক্ষ ডলার। ক্রিস্টিজের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘মৃত্যুর বছরখানেক আগে লেখা আইনস্টাইনের ওই চিঠি সত্যিই অতুলনীয়। ব্যাক্তিগত ভঙ্গিতে লেখা। ধর্ম ও দর্শন সম্পর্কে তাঁর ধ্যানধারণার সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ।’’
সেই চিঠিতে বাইবেল-কেও তোপ দেগেছিলেন আইনস্টাইন। পরোয়া করেননি নিজের ইহুদি ধর্মকেও। দার্শনিক গুটকাইন্ডকে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘বাইবেলে তো আসলে আদিম কিংবদন্তীদের মহান বানানো হয়েছিল। তাঁদেরই স্তুতি রয়েছে সেখানে। কোনও ব্যাখ্যা, কোনও কিছুই আমার এই ধারণা বদলাতে পারবে না। একই কথা খাটে ইহুদি ধর্মের ক্ষেত্রেও।’’
আইনস্টাইনের চিঠির নিলাম অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৭-য় তাঁর একটি চিঠি নিলামে দর পেয়েছিল ৬ হাজার ১০০ ডলার। আর তার চেয়ে আরেকটু বেশি দর পেয়েছিল আইনস্টাইনের ১৯২৮ সালে লেখা একটি চিঠি। দাম উঠেছিল ১ লক্ষ ৩ হাজার ডলার।

বিস্তারিত দেখুন এখানে

মন্তব্যসমূহ

লেখা পাঠাতে চান? লেখা পাঠানোর নিয়ম জানতে ক্লিক করুন নিচের 'লেখা পাঠান' ট্যাবে

==========🔰 প্রধান সম্পাদকের কথা 🔰==========


আলী হোসেন
===================
প্রধান সম্পাদক,
বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিন,
সমাজ বদলাবে - এটাই চিরন্তন। মানব সভ্যতার সূচনা থেকেই শুরু হয়েছে এই বদলে যাওয়ার যাত্রা। সেই যাত্রা মানুষ থামায় নি, থামবেও না। কিন্তু বদলে যাওয়ার গতি এতটাই বেগবান হয়েছে যে, একে আর ‘ধীর গতি’ বা বাতাসের ‘মৃদুমন্দ’ গতির সাথে তুলনা করা যাচ্ছে না। বিগত তিন দশক ধরে তথ্যপ্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে মানব সভ্যতা যে বেগে বিকশিত হচ্ছে তার তুলনা ইতিহাসে নেই। আর একারণেই এই বদলে যাওয়াকে আমরা কোন মতেই উপেক্ষা করতে পারব না।

সাহিত্য চর্চার মাধ্যম এই ‘বদল-ঝড়ের’ মুখে পড়েছে। মুদ্রণ-নির্ভর সাহিত্য চর্চার যে ধারা, তার বিকল্প মাধ্যম মুদ্রণ-সাহিত্যের ঘাড়ে বিষ-নিঃশ্বাস ফেলছে। এই বিকল্পকে (বদলকে) মেনে নেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। আর এই বদলে যাওয়া মাধ্যমটাই হল ‘অন-লাইন’ মাধ্যম। বদলাতে যখন হবেই, তখন আসুন-না, একটু আগে-ভাগেই বদলাই।
 
তাছাড়া, অন-লাইন মাধ্যমের কিছু সুবিধাও আছে। ১) প্রতেক পাঠক লেখা পড়ার পর নিজস্ব মতামত জানানোর স্বাধীনতা পায়, মুদ্রণ-সাহিত্যে যা সবসময় পাওয়া যায় না। এতে পাঠক-লেখক কাছাকাছি আসতে পারেন দ্রুত এবং সহজেই। ২) পাঠকের ভৌগোলিক সীমানা সীমাহীন হয়ে যায়। ৩) পাঠক একই খরচে অনেক ম্যাগাজিন পাঠ করার সুযোগ পান। ৪) একই খরচেই তিনি জীবনের অন্যান্য প্রয়োজনও মেটাতে পারেন।
 
‘বাংলা সাহিত্য’ এই অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর কথাটাও মাথায় রেখেছে। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি আম-বঙালির প্রয়োজনীয় সূলুক-সন্ধান দেওয়ার ব্রত নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে বাংলার সাহিত্যাকাশে। মুনাফা নয়, সাহিত্য চর্চার মুক্তাঙ্গন তৈরী করার লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করল ‘বাংলা সাহিত্য’। আপনরা সাথে থাকবেন - এই আশা নিয়েই শুরু করছি আমাদের দ্বিতীয় ভাবনা...>>>
বাংলা সাহিত্য :  অনলাইন  ম্যাগাজিন, গ্রাহক হওয়ার নিয়ম
বাংলা সাহিত্য : গ্রাহক হওয়ার নিয়ম

🙏সবিনয় আবেদন

সুধী পাঠক ও লেখকবন্ধু,

বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিন যেহেতু কোন বিজ্ঞাপন গ্রহণ করে না, সেহেতু ম্যাগাজিন পরিচালনার সমস্ত খরচ ম্যাগাজিন কতৃপক্ষকেই বহন করতে হয়। বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এই ভার বহন করা দুরহ হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের পত্রিকার গ্রহক হওয়ার অনুরোধ করছি। 

গ্রাহক মুল্য বছরে ১০০ (এক শত) টাকা মাত্র।

নিচের ব্যাংক একাউন্টে গ্রাহক চাঁদা প্রদান করে Transaction ID ইমেল করে পাঠালেই আপনি গ্রাহক হয়ে যাবেন।

আপনারা চাইলে আমাদের আর্থিকভাবে সহায়তাও করতে পারেন।

👩 গ্রাহক চাঁদা (১০০ টাকা), অথবা সহায়তা (সর্বনিম্ন 10 টাকা) পাঠাতে নিচের QR CODE SCAN করুন।

বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিনের গ্রাহক চাঁদা পাঠানোর QR CODE
গ্রাহক চাঁদা অথবা সহায়তা পাঠানোর QR CODE
এছাড়া
NET BANKING করেও গ্রাহক চাঁদা পাঠাতে পারেন।
অর্থ পাঠানোর একাউন্টসের বিবরণ :
1) Account Holder's Name : K. N. Mondal
2) Bank Name : Bank Of Baroda
3) Account No. 2759-0100-0151-24
4) IFS CODE : BARB0BRAPUR (Fifth Character is ZERO)
অর্থ পাঠালে অবশ্যই ইমেল করে ট্রাঞ্জাকশন আইডি (Transaction ID) পাঠাতে ভুলবেন না।
আপনার পাঠানো অর্থের অবশ্যই প্রাপ্তি স্বীকার করা হবে।
আমাদের EMAIL ID : editorbsali@gmail.com