সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বকখালি কবিতা উৎসব - ২০২৫

বকখালি কবিতা উৎসব - ২০২৫

Bakkhali Poetry Festival -2025,বকখালি কবিতা উৎসব - ২০২৫
বকখালি কবিতা উৎসব - ২০২৫

কানাইলাল জানা:

নভেম্বরের ৪ এবং ৫ তারিখে ছিল 'বকখালি কবিতা উৎসব ২০২৫'। কবি সুভাষ মেট্রো বন্ধ থাকায় শেয়ালদায় ৯ টা ১৪-র ট্টেন ধরি গড়িয়া স্টেশনে। যদিও কলকাতা থেকে শিলচর থেকে আসা কবি মিতা দাসপুরকায়স্থের গাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। প্রাইভেট গাড়িতে এসেছেন অভিজিৎ পালচৌধুরী, অনন্যা সরকার, অমিত সরকার, অদীপ ঘোষ, সুমিতাভ ঘোষাল, তাপস রায়-রা। 

বড্ড ভীড় ট্রেন একটু ফাঁকা হতেই দেখি দু'পাশের মাঠ হাসছে ছমছম করা সোনালি ধানে। খাওয়া হল মরসুমি পানিফল, গুড় দিয়ে বাদাম পাটালি, গজা ইত্যাদি। নামখানায় নেমে দেখা একই ট্রেনে আসা অংশুমান চক্রবর্তী, সুধাংশুরঞ্জন সাহা,ফটিক চৌধুরী, দুর্গাদাস মিদ্দা, জয়িতা বসাক, দিশা চট্টোপাধ্যায়, বিমল রায় প্রমুখের সঙ্গে।

আগের মতো হ্যাপা নেই হাতানিয়া-দোয়ানিয়ার খেয়া পারাপার। টোটো ধরে সোজা ইকোপার্ক। পার্কটি সমুদ্র বাঁধের পরই ঝাউবনে এমন করে সাজানো যে দুপুরেই চলছে তিনটি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সুটিং। কেউবা দোলনায় দুলছেন। তখন সমুদ্র অবশ্য সরে গেছে দূরে । কবিতা উৎসব স্পটেই রান্নাবান্না তাই গরম গরম দুপুরের ভাত এবং পাঁচ ব্যঞ্জনের তরিতরকারি খেয়ে যে যার নির্দিষ্ট হোটেলে বিশ্রাম নিয়ে সূর্যাস্ত উপভোগ করতে করতে আবার হাজির উৎসব প্রাঙ্গণে। রাস পূর্ণিমায় চাঁদের আলোয় মাখামাখি পরিবেশে হয়ে আসছে এই কবি সম্মেলন।

সুমন দিন্ডা,সৌগত প্রধান, বীরেন্দ্র পড়ুয়া, বিকাশরঞ্জন হালদার প্রমুখ আয়োজিত এই কবিতা উৎসব বড়ই আন্তরিক। 'সমুদ্র জানলা'-র নিজস্ব গানের সঙ্গে মেয়েদের নাচ দিয়ে শুরু উৎসব। উৎসবের ওপর গান গাইলেন সঞ্চারী গোস্বামী। উদ্বোধন করলেন দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভূমিপুত্র কথাসাহিত্যিক ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়। আমার মনে হয় উৎসব কমিটির সবথেকে পুণ্যের কাজ ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়কে দিয়ে উদ্বোধন করানো। ঝড়েশ্বরদার সঙ্গে মিশে দেখেছি ৭৯ বছরের কথাসাহিত্যিক সকলের থেকে অনন্য। ভোলা যায় না তেভাগা আন্দোলন নিয়ে তাঁর বিশ্বাসযোগ্য উপন্যাস 'স্বজনভূমি'। ভোলা যায় না চন্দনপিড়ি, বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, নামখানা, কাকদ্বীপ,জম্বুদ্বীপ অঞ্চলের অহল্যা দাস, সন্তোষ হাতি, গজেন মালিদের মতো চরিত্র। কথামুখে কবি রফিক উল ইসলাম ব্যাখ্যা করলেন কীভাবে সমুদ্র, নদী, বন,বন্যা ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিষয়গুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলে।
 
এবছর আয়োজকদের পত্রিকা 'সমুদ্র জানলা' পুরস্কার পেলেন তিনজন কবি: প্রবাল কুমার বসু, যশোধরা রায়চৌধুরী এবং বিভাস রায়চৌধুরী। প্রাপ্তি: স্মারক, মানপত্র এবং নগদ টাকা। সহযোগিতায় ডাক্তার স্বপন দাস। যখন মানপত্র পড়া হচ্ছে অংশুমান চক্রবর্তী মনে করিয়ে দিলেন যে যশোধরা এবং বিভাস একসঙ্গে একই মঞ্চে 'কৃত্তিবাস পুরস্কার' পেয়েছিলেন কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায়। পুরস্কারপ্রাপ্ত কবিদের সম্বন্ধে বললেন কবি ও অধ্যাপক সত্যপ্রিয় মুখোপাধ্যায়। তাঁরা প্রকাশ করলেন 'সমুদ্র জানালা' উৎসব সংখ্যাও।

এরপর শুরু কবিতা পাঠ। মাথার ওপর পূর্ণ চাঁদ, ঝাউবনের আলোআঁধারি, জোয়ার চলছে, দক্ষিণ দিক থেকে ধেয়ে আসছে সমুদ্রের গর্জন, সবকিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে আমাদের কবিতা পাঠ। কবিদের ভীড়ে বাংলাদেশ এবং বিদেশের নিমন্ত্রিত কবিরা আসতে পেরেছেন কিনা জানতে পারিনি তবে আসাম, ত্রিপুরা, দিল্লির নিমন্ত্রিত কবিরা এসেছেন। দিল্লির কবি ভাস্বতী গোস্বামী, ত্রিপুরা থেকে আগত কবি অপাংশু দেবনাথ, চয়ন সাহা, সিকিমের সুশান্ত দাস প্রমুখের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আজ আমি যে দুটো কবিতা পড়ি তার একটি: 'আমাদের সাধ্যসাধনা'-র কিছু অংশ: 
'একদিন আমারও ঘন অন্ধকার থেকে রচনা করব মায়াবাদ। বাঘকে এমনভাবে পোষ মানাব, লাফ মেরে মেঘ থেকে পেড়ে আনবে মধু। আষাঢ় শ্রাবণকে এমনই শিক্ষিত করব জলস্রোত ও অশ্রুপাতের মধ্যে রাখবে না কোনও ভেদরেখা। মাতৃকোড়েই মরমি সখার মতো শুয়ে থাকবে কালবেলা। শীতকালকে এমনভাবে জাগাব নিজে থেকেই বিলি করবে সহস্র ধ্যানপুঁথি। চিরকাল মুগ্ধ থেকেছে আঁখিপল্লব, আজ তাকে রাজি করাব বন ময়ূরীর বন্দনা গাইতে'..... 
ক্ষেপে ক্ষেপে কবিতা পড়ছেন কবিরা। স্বাদ বদলে গান ও আবৃত্তি। রাতের খাবার খেতে খেতে শুনছি যশোধরা রায়চৌধুরী বলছেন: 'চাকরি থেকে অবসর হয়েছে বলেই সম্ভব হল রাত পৌনে দশটায় বকখালির মতো ফাঁকা জায়গায় কবিতা নিয়ে বলা এবং কবিতা পাঠ।

পরের দিনও চলল কবিতাপাঠ। কবিতা পাঠে: অমৃতেন্দু মন্ডল, উৎপল মান, অরুণ পাঠক,অপাংশু দেবনাথ, শান্তনু গঙ্গারিডি,মিতা দাসপুরকায়স্থ, অমিত কাশ্যপ,ঋত্বিক ঠাকুর, বিশ্বজিৎ রায়,সুমিতা মুখোপাধ্যায়, সুশীল মন্ডল, শুভেন্দু দত্ত, বিধানেন্দু পুরকাইত প্রমুখ। কবিতা নির্মাণ নিয়ে বললেন কবি পার্থজিৎ চন্দ। অসাধারণ পরিবেশন। সচরাচর শোনা যায় না এমন উৎকর্ষ মানের অনর্গল উদ্ধৃতি ও উচ্চারণ।
 
দ্বিতীয় দিনও মঞ্চে উঠি সুমিতাভ, পার্থজিৎ, মণিশঙ্করদের সঙ্গে কবি মিতা দাস পুরকায়স্থ -র নতুন কাব্যগ্রন্থ 'এবং কথালিপি'-র মোড়ক উন্মোচনে। এই ধরনের বড় কবিতা উৎসবে এলে লাভ হয় বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও কাব্যগ্রন্থ সংগ্রহ এবং সর্বোপরি মেলামেশা, আলাপপরিচয় বাড়ে। উপরি পাওনা শহরকেন্দ্রিক কবিছাড়া মফস্বলের কবিদের নতুন নতুন কন্ঠস্বরকে চিহ্নিত করা যায় এবং ভাল লাগে।

এদিকে মঞ্চের সামনে ছবি আঁকছেন শিল্পী মৃণালকান্তি গায়েন, দেবাশিস সাহা, মণিশঙ্কর, পলাশ দাস, পান্থ মাইতি। দ্বিতীয় দিন যাঁরা এসেছেন কেউ কেউ থাকবেন, লাঞ্চ সেরে আমরা চললাম গৃহপাণে...
--------xx-------

মন্তব্যসমূহ

লেখা পাঠাতে চান? লেখা পাঠানোর নিয়ম জানতে ক্লিক করুন নিচের 'লেখা পাঠান' ট্যাবে

==========🔰 প্রধান সম্পাদকের কথা 🔰==========


আলী হোসেন
===================
প্রধান সম্পাদক,
বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিন,
সমাজ বদলাবে - এটাই চিরন্তন। মানব সভ্যতার সূচনা থেকেই শুরু হয়েছে এই বদলে যাওয়ার যাত্রা। সেই যাত্রা মানুষ থামায় নি, থামবেও না। কিন্তু বদলে যাওয়ার গতি এতটাই বেগবান হয়েছে যে, একে আর ‘ধীর গতি’ বা বাতাসের ‘মৃদুমন্দ’ গতির সাথে তুলনা করা যাচ্ছে না। বিগত তিন দশক ধরে তথ্যপ্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে মানব সভ্যতা যে বেগে বিকশিত হচ্ছে তার তুলনা ইতিহাসে নেই। আর একারণেই এই বদলে যাওয়াকে আমরা কোন মতেই উপেক্ষা করতে পারব না।

সাহিত্য চর্চার মাধ্যম এই ‘বদল-ঝড়ের’ মুখে পড়েছে। মুদ্রণ-নির্ভর সাহিত্য চর্চার যে ধারা, তার বিকল্প মাধ্যম মুদ্রণ-সাহিত্যের ঘাড়ে বিষ-নিঃশ্বাস ফেলছে। এই বিকল্পকে (বদলকে) মেনে নেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। আর এই বদলে যাওয়া মাধ্যমটাই হল ‘অন-লাইন’ মাধ্যম। বদলাতে যখন হবেই, তখন আসুন-না, একটু আগে-ভাগেই বদলাই।
 
তাছাড়া, অন-লাইন মাধ্যমের কিছু সুবিধাও আছে। ১) প্রতেক পাঠক লেখা পড়ার পর নিজস্ব মতামত জানানোর স্বাধীনতা পায়, মুদ্রণ-সাহিত্যে যা সবসময় পাওয়া যায় না। এতে পাঠক-লেখক কাছাকাছি আসতে পারেন দ্রুত এবং সহজেই। ২) পাঠকের ভৌগোলিক সীমানা সীমাহীন হয়ে যায়। ৩) পাঠক একই খরচে অনেক ম্যাগাজিন পাঠ করার সুযোগ পান। ৪) একই খরচেই তিনি জীবনের অন্যান্য প্রয়োজনও মেটাতে পারেন।
 
‘বাংলা সাহিত্য’ এই অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর কথাটাও মাথায় রেখেছে। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি আম-বঙালির প্রয়োজনীয় সূলুক-সন্ধান দেওয়ার ব্রত নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে বাংলার সাহিত্যাকাশে। মুনাফা নয়, সাহিত্য চর্চার মুক্তাঙ্গন তৈরী করার লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করল ‘বাংলা সাহিত্য’। আপনরা সাথে থাকবেন - এই আশা নিয়েই শুরু করছি আমাদের দ্বিতীয় ভাবনা...>>>

বাংলা সাহিত্য : বহুল-পঠিত লেখাগুলো পড়ুন

চলে গেলেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়

‘যেতে হবে’ শুনিয়ে চলে গেলেন প্রতুল মুখোপাধ্যায় পুতুল মুখোপাধ্যায়কে গান স্যালুট চলে গেলেন ‘একক কন্ঠের গণসংগীত’ শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়। মৃত্যু কালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ভাষা দিবসের ঠিক ছ’দিন আগে, তাঁর এই চলে যাওয়া, তাঁর অনুরাগীদের জন্য গভীর বেদনার। সম্প্রতি তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে সেখানে ভর্তি ছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কয়েক দিন ধরে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। আজ, শনিবার সকালে, তিনি সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর শোকবার্তায় বলেন, “আধুনিক বাংলা গানের খ্যাতনামা শিল্পী, গীতিকার প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আমি শোকাহত।” তিনি আরও বলেন, “যতদিন বাংলা গান থাকবে, ততদিন ‘আমি বাংলায় গান গাই’, বাঙালির মুখে মুখে ফিরবে।” ১৯৪২ সালে বর্তমান বাংলাদেশের বরিশাল জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। দেশভাগের পর পিতার সঙ্গে চলে আসেন এদেশে। এরপর তাঁর পিতা প্রভাতচন্দ্র একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন। গান্ধীহত্যার পর এই মাদ্রাসায় আয়োজিত একটি শোকসভায় বাবার পরামর্শে তিনি প্রথম ‘পাবলি...

চলে গেলেন কবিতা পাক্ষিক এর পুরোধা পুরুষ প্রভাত চৌধুরী

প্রভাত চৌধুরী। অধুনান্তিক কবিতা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধাপুরুষ এবং কবিতা পাক্ষিকের প্রাণপুরুষ। - লিখেছেন আলী হোসেন। বিশ শতকের ষাটের দশকে শুরু। শেষ করলেন একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে। কবি প্রভাত চৌধুরী লিখেছিলেন, 'আমি মূলত পক্ষাঘাতগ্রস্ত অথর্ব সভ্যতার জারজ সন্তান'। কী বোঝাতে  চেয়েছিলেন তিনি? গবেষকরা নিশ্চয়ই তা অনুসন্ধানে বসবেন। প্রভাত চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন বাঁকুড়া জেলায়। পরে কর্মসূত্রে আসেন কলকাতার ভবানীপুরে, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। তবে কবিতা নিয়ে তার আলাদা বাসরঘর গড়ে উঠেছিল পটলডাঙ্গা স্ট্রিটে। 'কৃত্তিবাস' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর কবিতা। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শুধু প্রেমিকার জন্য'। কবিতা নিয়েই ছিল তার দিনযাপন এবং নিশিযাপন। তবে শুধু কবিতার জন্যে নয়, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের জন্যেও নিবেদিত ছিল তাঁর মনপ্রাণ। আশির দশকে সাময়িকভাবে জীবন নদীর ভাটার টানে নিজেকে গুটিয়ে রাখলেও নয়ের দশকে শুরু হয় নতুন উদ্যমে পথ চলা। এই সময়ই শুরু করেন (১৯৯৩ সাল থেকে) পত্রিকা ‘কবিতা পাক্ষিক’ প্রকাশ ও প্রচার। এরপর এই পত্রিকাই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে বাংলার নতুনধারার তরুণ কবিদে...

পশ্চিবঙ্গে কবিতা উৎসব ২০২৩, উদ্বোধন করলেন ব্রাত্য বসু

পশ্চিবঙ্গের বৃহত্তম কবিতা উৎসব ২০২৩ উদ্বোধন করলেন ব্রাত্য বসু ফারুক আহমেদ বুধবার রবীন্দ্র সদন একতারা মঞ্চে, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের অন্তর্গত কবিতা আকাদেমির আয়োজনে ৭ম কবিতা উৎসব ২০২৩-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান দাগ কেটেছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ভারতের বৃহত্তম কবিতা উৎসবের শুভ উদ্বোধন করলেন উচ্চশিক্ষা এবং বিদ্যালয় শিক্ষা বিভাগের মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতি শ্রী ব্রাত্য বসু, উপস্থিত ছিলেন সভামুখ্য সুবোধ সরকার, মাননীয় সভাপতি, পশ্চিমবঙ্গ কবিতা আকাদেমি, মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, আলাপন বন্দ্যেপাধ্যায়, ব্রততী বন্দ্যেপাধ্যায়, প্রণতি ঠাকুর, কৌশিক বসাক প্রমুখ। রবীন্দ্রসদন, শিশির মঞ্চ, বাংলা আকাদেমি সভাগৃহ, জীবনানন্দ সভাঘর, অবনীন্দ্র সভাঘর, নন্দন-৩, চারুকলা পর্ষদ সংলগ্ন প্রাঙ্গণ ও একতারা মুক্তমঞ্চে উৎসব শুরু হয়েছে। ৩ মে থেকে চলবে ৬ মে ২০২৩ পর্যন্ত। ভারতের বৃহত্তম কবিতা উৎসবে দ্বিতীয় দিনেই শিশির মঞ্চে কবিতা পাঠ করলেন কবি ও উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট কবি। ...
বাংলা সাহিত্য :  অনলাইন  ম্যাগাজিন, গ্রাহক হওয়ার নিয়ম
বাংলা সাহিত্য : গ্রাহক হওয়ার নিয়ম

🙏সবিনয় আবেদন

সুধী পাঠক ও লেখকবন্ধু,

বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিন যেহেতু কোন বিজ্ঞাপন গ্রহণ করে না, সেহেতু ম্যাগাজিন পরিচালনার সমস্ত খরচ ম্যাগাজিন কতৃপক্ষকেই বহন করতে হয়। বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এই ভার বহন করা দুরহ হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের পত্রিকার গ্রহক হওয়ার অনুরোধ করছি। 

গ্রাহক মুল্য বছরে ১০০ (এক শত) টাকা মাত্র।

নিচের ব্যাংক একাউন্টে গ্রাহক চাঁদা প্রদান করে Transaction ID ইমেল করে পাঠালেই আপনি গ্রাহক হয়ে যাবেন।

আপনারা চাইলে আমাদের আর্থিকভাবে সহায়তাও করতে পারেন।

👩 গ্রাহক চাঁদা (১০০ টাকা), অথবা সহায়তা (সর্বনিম্ন 10 টাকা) পাঠাতে নিচের QR CODE SCAN করুন।

বাংলা সাহিত্য : অনলাইন ম্যাগাজিনের গ্রাহক চাঁদা পাঠানোর QR CODE
গ্রাহক চাঁদা অথবা সহায়তা পাঠানোর QR CODE
এছাড়া
NET BANKING করেও গ্রাহক চাঁদা পাঠাতে পারেন।
অর্থ পাঠানোর একাউন্টসের বিবরণ :
1) Account Holder's Name : K. N. Mondal
2) Bank Name : Bank Of Baroda
3) Account No. 2759-0100-0151-24
4) IFS CODE : BARB0BRAPUR (Fifth Character is ZERO)
অর্থ পাঠালে অবশ্যই ইমেল করে ট্রাঞ্জাকশন আইডি (Transaction ID) পাঠাতে ভুলবেন না।
আপনার পাঠানো অর্থের অবশ্যই প্রাপ্তি স্বীকার করা হবে।
আমাদের EMAIL ID : editorbsali@gmail.com